১) জ্যোতিষ্ক কি ?
উ :- দিনের বেলায় সূর্য আর রাতের আকাশের চাঁদ সহ অসংখ্য আলোক বিন্দু হলো জ্যোতিষ্ক।
২) মহাবিশ্ব কি ?
উ :- কোটি কোটি জ্যোতিষ্ক অর্থাৎ গ্রহ উপগ্রহ নক্ষত্র গ্রহনাপুঞ্জ ধূলিকণা গ্যাস প্রভৃতি রয়েছে অসীম শূন্যস্থানে অর্থাৎ এই সমস্ত কিছুই নিয়ে হল মহাবিশ্ব।
৩) বিজ্ঞানের সবচেয়ে পুরানো চর্চা কোনটি ?
উ :- জ্যোতির্বিজ্ঞান।
৪) নীহারিকা কাকে বলে ?
উ :- মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় যে অসংখ্য ধূলিকনা ও গ্যাসের মহাজাগতিক মেঘ তৈরি হয় তা হলো নীহারিকা।
৫) নক্ষত্রের কি করে জন্ম হয় ?
উ :- মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় প্রায় ১০ লক্ষ বছর ধরে গ্যাসীয় পদার্থগুলো জমাট বাঁধতে শুরু করে আর তাদের মধ্যে মধ্যে তৈরি হতে থাকে শূন্যস্থান। জমাট বাধা পদার্থ গুলো প্রচন্ড গতিতে একে অপরের সঙ্গে মিলে গিয়ে প্রকাণ্ড আকারের জ্বলন্ত নক্ষত্রের জন্ম দেয়।
৬) আগেকার দিনে আকাশ দেখে কি কি গণনা করা হতো ?
উ :- চাঁদ, সূর্য, তারার চলাফেরা দেখে দিক ঠিক করা হতো। দিন, মাস, বছর, সময় গণনা সবই হতো আকাশ থেকে।
৭) ছায়াপথ কি নিয়ে তৈরি হয় ?
উ :- লক্ষ লক্ষ তারা নিয়ে এক একটা ছায়াপথ তৈরি হয়।
৮) পৃথিবী, সূর্য কোন ছায়াপথের অন্তর্গত ?
উ :- আকাশগঙ্গা ছায়াপথের অন্তর্গত যার ইংরেজি নাম মিল্কি ওয়ে।
৯) ছায়াপথ দেখতে কেমন ?
উ :- পেঁচানো, ডিম্বাকার ইত্যাদি আকৃতির হয়ে থাকে।
১০) আকাশ গঙ্গা ছায়াপথ কি নিয়ে তৈরি ?
উ :- প্রায় দশ হাজার কোটি নক্ষত্র, গ্যাস, ধূলিকণা নিয়ে আকাশগঙ্গা একটা বিরাট আকারের ছায়াপথ।
১১) নক্ষত্র কি বা কাকে বলে ?
উ :- নক্ষত্র হলো জলন্ত গ্যাসীয়পিণ্ড যাদের নিজস্ব আলো ও উত্তাপ আছে।
১২) প্লানেটোরিয়াম এর মাধ্যমে কি দেখা যায়।?
উ :- প্লানেটরিয়ামের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে আকাশ মহাকাশ গ্রহ আর তারা সবকিছু দেখতে পাওয়া যায়।
১৩) তারার রং দেখে কি বোঝায যায়?
উ :- তারার রং দেখে বোঝা যায় কোন তারা কতটা উত্তপ্ত।
১৪) কোন তারার উষ্ণতা সবচেয়ে কম ?
উ :- লাল তারার উষ্ণতা সবচেয়ে কম।
১৫) কোন তারার সংখ্যা সব থেকে বেশি?
উ :- লাল তারার।
১৬) কোন তারার উষ্ণতা প্রচন্ড বেশি এবং বেশ উজ্জ্বল ?
উ :- বিরাট নীল তারার উষ্ণতা প্রচন্ড বেশি এবং বেশ উজ্জ্বল।
১৭) কোন তারার উষ্ণতা এবং উজ্জ্বলতা দুটোই সব থেকে বেশি ?
উ :- প্রকাণ্ড সাদা তারার।
১৮) খালি চোখে আমরা কোন তারা গুলোকে দেখতে পাই ?
উ :- প্রকাণ্ড সাদা তারাগুলোকে দেখতে পাই।
১৯) সূর্যের পরে আমাদের সবথেকে কাছের নক্ষত্র কোনটি ?
উ :- প্রক্সিমা সেন্টাওরি।
২০) প্রক্সিমা সেন্টাওরি পৃথিবী থেকে কত দূরে আছে ?
উ :- প্রায় ৪১ লক্ষ কোটি কিলোমিটার দূরে।
২১) সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কত ?
উ :- প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
২২) সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে ?
উ :- ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
২৩) বায়ু শূন্য অবস্থায় আলোর গতিবেগ কত ?
উ :- বায়ুশূন্য অবস্থায় আলোর গতিবেগ এক সেকেন্ডে প্রায় ৩০০০০০ কিলোমিটার।
২৪) আলোকবর্ষ বা লাইট ইয়ার কাকে বলে ?
উ :- বায়ু শূন্য অবস্থায় আলোর গতিবেগ এক সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার। এই গতিবেগে এক বছরে আলো যতটা দূরত্ব পার করে তা হলো এক আলোকবর্ষ বা ওয়ান লাইট ইয়ার।
২৫) নক্ষত্র মন্ডল কাকে বলে ?
উ :- কাছাকাছি থাকা তারা গুলোকে কাল্পনিকভাবে যোগ করলে বিভিন্ন আকৃতি তৈরি হয়। এরকম এক একটা তারার ঝাঁককে নক্ষত্র মন্ডল বলা হয়।
২৬) সপ্তর্ষিমণ্ডল আকাশের কোন দিকে দেখা যায় ?
উ :- উত্তর দিকে।
২৭) ক্যাসিওপিয়া কিসের মতো দেখতে ?
উ :- ইংরেজি অক্ষরে 'M' এর মতো।
২৮) ক্রস চিহ্নের মত দেখতে কোন নক্ষত্র মন্ডল ?
উ :- বক মন্ডল।
২৯) কালপুরুষকে কি রূপের কল্পনা করা হয় ?
উ :- পুরা কাহিনীর এক বীর শিকারি রূপে কল্পনা করা হয়।
৩০) তারাগুলো মিটিমিট করে কেন ?
উ :- আমাদের পৃথিবীর চারদিকে বায়ুমন্ডলে আছে। পৃথিবী থেকে বহুদূরে থাকা তারার আলো যখন এই বায়ুমণ্ডল পেরিয়ে আসে তখন কেঁপে যায়। পৃথিবীর বায়ুস্তর এর বাইরে মহাকাশ থেকে তারাদের দেখলে স্থির আলোর বিন্দুর মতোই দেখায়।
৩১) কোন নক্ষত্র মন্ডল দেখে দিক নির্ণয় করা হত ?
উ :- উত্তর আকাশে ধ্রুবতারা দেখে।